গর্ভবতীদের সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা নির্দেশনা

 গর্ভকালীন সময়ে কম পক্ষে ৪ বার পরীক্ষা করা প্রয়োজন




 ১ম ভিজিটঃ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব

 ২য় ভিজিটঃ ১৬-২৪ সপ্তাহ (৪-৬ মাস)

 ৩য় ভিজিটঃ ৩২ সপ্তাহ ( ৮ মাস)

 ৪র্থ  ভিজিটঃ ৩৬ সপ্তাহ ( ৯ মাস)




গর্ভাবস্থায় ৫ টি বিপদ সংকেত

গর্ভাবস্থায় ৫ টি বিপদ সংকেত

 * খিঁচুনি 

 * রক্তস্রাব 

 * ভীষণ জ্বর 

 * তীব্র মাথা ব্যথা ও ঝাপসা দেখা

 * বিলম্বিত প্রসব (প্রসব ব্যথা ১২ ঘন্টার বেশি থাকা)

উপরের যে কোন একটির জটিল অবস্থা দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।


গর্ভাবস্থায় করনীয় ও বর্জনীয়


যা করতে হবে

  নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম (৮ ঘন্টা) ও বিশ্রাম (দিনে ১-২ ঘন্টা) নিতে হবে।
   পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
   ২টি টিটি ভ্যাকসিন /টিকা (৫মাস ও ৬মাস) দিতে হবে।
   নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে পানি (১০-১২ গ্লাস) খেতে হবে।
   প্রতিবেলায় স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশী খেতে হবে।
   মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতে হবে ও যথাসম্ভব হাসিখুশি থাকতে হবে।


যা যা এড়িয়ে চলতে হবেঃ

  অধিক পরিশ্রমের  দীর্ঘ সময় কোন কাজ করা যাবে না।
   গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাস  শেষের ২ মাস সহবাস নিষেধ।
   ভারি কিছু বহন / তোলা যাবে না বা এমন কাজ কওরা যাবে না।
  দূরে যাতায়াত করা বা শরীরে ঝাঁকি লাগে এমন যানবাহনে চড়া যাবে না। 
   প্রতিবেলায় স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশী খেতে হবে।
   ঝগড়াঝাটি ও মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
  জর্দা, সাদা পাতা, তামাক, গুল ইত্যাদি খাওয়া ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

গর্ভাবস্থায় খাবারের তালিকা



ক) শক্তিদায়ক খাবারঃ ভাত, রুটি/পরাটা, আলু, চিনি, গুড়, সুজি, সয়াবিন তেল, বাদাম, কলিজা, ঘি/মাখন, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।

খ) শক্তি ক্ষয়পূরণ এবং নবজাতকের শরীর বৃদ্ধিকারক খাবারঃ মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের সাদা অংশ , বিভিন্ন ধরনের ডাল, মটরশুটি, সীমের বীচি ইত্যাদি

) ভিটামিন ও রোগ প্রতিরোধক খাবারঃ সবুজ, হলুদ ও অন্যান্য রঙ্গিন শাক-সবজি , সবধরনের মৌসুমী ফল-মূল (আনারস ও কাচা পেঁপে এড়িয়ে যাওয়া ভালো)।

 

* প্রতিদিন উপরের তিন ধরণের খাবারের তালিকা থেকেই কিছু কিছু খাবার খেতে হবে।






Comments

Popular posts from this blog

About Dr. Farhana Faruk Bristy

PCOS (Polycystic Ovary Syndrome) & ওভারিয়ান সিস্ট (Ovarian Cyst) নিয়ে কিছু কথা